ওয়ারকেস্টান জয়ন্ত যদি হয় ছাপ ঠিকাদার কেমনে হয় বেড়ীবাঁধ সংস্কার।
তথ্য ও ভিডিও চিত্রে
শ্যামনগর থেকে মোঃ রাকিবুল হাসান
কালিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কৈখালী আওতাধীন দায়িত্ব থাকা ওয়ারকেস্টান জয়ন্ত ঠিকাদার নামে পরিচিত হয়েছে।দর্শক রক্ষক হয়ে যদি ভক্ষণ করে তাহলে বেড়ীবাঁধ সঠিক ভাবে সংস্কারের মুখ দেখবে কি করে।পরিবেশ ও বৈচিত্র্য ধ্বংস করে বেড়ীবাঁধের সাইটে থাকা ও নদীর বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ভেকু দিয়ে কেটে নিধন করছে ঠিকাদার। কৈখালী ইউনিয়নের নৈকাঠী বেড়ীবাঁধের সংস্কারের কাজ ১৫০মিটার ও নিদয়া বেড়ীবাঁধ সংস্কার ২৩০+১৫০মিটার বেড়ীবাঁধের কাজ ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি করে চলেছে।কাজের এর পরেও নদীর সাইটে সিডিউল অনুযায় শ্লোব দেওয়ার কথা ২৭ফুট দিচ্ছে ২১ফুট এছাড়া বেড়ীবাঁধ থেকে ১৫থেক২০ ফুট দুর থেকে মাটি নেওয়ার কথা থাকলেও মানছে না ঠিকাদার।সঠিক ভাবে কাজ হচ্ছে কি না ঠিকাদারের দায়িত্বে থাকা লোকজনের কাছে জানতে চাইলে তারা বক্তব্য দিতে নারাজ। কালিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন কৈখালী বেড়ীবাঁধ সংস্কার এর জন্য ঠিকাদারের মাধ্যমে টেন্ডার হলে স্ব -স্ব অফিসের কর্মকর্তাদের মাধ্যম দিয়ে স্ব-স্ব ইউনিয়নের দায়িত্ব থাকা পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়ারকেস্টানদের ছাফ ঠিকাদার এর দায়িত্ব দিয়ে বেড়ীবাঁধ সংস্কার এর কাজ করলে তাতে অনেক লাভাংশ পাওয়া যায়। যার কারনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্ব থাকা কর্মকর্তারা তাদের অফিসের ওয়ারকেস্টান দিয়ে বেড়ীবাঁধের কাজ পরিচালনা করে আসছে।
নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক অনেক লেবার সরদার দুঃখ প্রকাশ করে বলেন এখন আর আমরা বেড়ীবাঁধ সংস্কার এর কোন কাজ আমরা আর পাইনা। এখন ওয়ারকেস্টানদের মাধ্যমে কাজ করার দায়িত্ব থাকা এসও'রা
এলাকাবাসীর কাছে জানতে চাইলে অনেকেই বলেন আমরা সব সময় কাজের পাশে থাকি আর সবাই আলোচনা করে ছাপ ঠিকাদার না কি জয়ন্ত। বেড়ীবাঁধ এর সংস্কারের কাজ টেন্ডার ঠিকাদারের মাধ্যমে পেলেই স্ব স্ব উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয় আর এই সুযোগটা ঠিকাদার হাত ছাড়া করতে চায় না। কারন কাজের বিল করতে গেলে উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজন হয়।
এবিষয়ে ওয়ারকেস্টান জয়ন্ত সাথে কথা হলে বলেন ঠিকাদার নিজেই কাজ করতেছে আমি কোন এর সাথে জড়িত না।
কালিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও তন্ময় হালাদারের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

0 Comments