শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা পড়ছে বিপাকে
তথ্য চিত্রে- এস কে সিরাজ,শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি।
সাতক্ষীরার সুন্দরবনের গা ঘেসে অবস্থিত চাড়ে লক্ষ মানুষের একমাত্র আশ্রয় স্থল শ্যামনগরের ৫০ শয্যা হাসপাতাল টি পরিতক্ত ঘোষনা করায় প্রতিনিয়ত দুরদুরন্ত থেকে আসা শতশত রোগীরা পড়ছে বিপাকে। এখানে রোগী ভর্তি না করে পাঠানো হচ্ছে প্রায় ৫২ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত সাতক্ষীরা জেলা শহরের সদর হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ছোট খাটো মারামারী বা সাধারন জ্বর জারী বা,সাধারন অসুস্থতার রোগীকে ও পরিতক্ত ভবনের অজুহাতে ও রোগীকে রেফার করা হচ্ছে। তাৎক্ষণিক ভাবে হাসপাতালে এসে সাধারন রোগী সহ দরিদ্র রোগীদেরকে পড়তে হচ্ছে ভয়াবহ বিপাকে। কারন ওই মুহুর্তে রোগীকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল বা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হলে কমপক্ষে ৮/১০ হাজার টাকার প্রয়োজন হচ্ছে তার ।তাৎক্ষণিক ভাবে রোগীর পরিবারকে মোটা অংকের ওই টাকা ম্যানেজ করা কষ্টকর হচ্ছে। অনেক সময় টাকা ম্যানেজ না করতে পেরে পরিবারের লোকজন রোগীকে বাড়ী নিয়ে গ্রাম্য ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা করাচ্ছেন।
এদিকে ইমার্জেন্সীতে থাকা কর্তব্যরত ডাক্তার নার্সরাও প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে গাফিলাতি করছে বলে এমন অভিযোগ রয়েছে একাধিক রোগীর পরিবারের।হাসপাতালে আসলেই রোগীদের রেফার করার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েন তারা। যেন তেন ভাবে রোগী দেখে দ্রুত রেফার করে দেন, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে। বিষয় টি নিয়ে কথা বলেন- প্রেসক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব আকবর কবীর, এ সময় তিনি বলেন এমন অভিযোগ প্রায় আমাদের শুনতে হচ্ছে,সাধারন রোগীরা যে ভাবে হয়রানীর শিকার হচ্ছে আসলে সেটি অত্যান্ত কষ্ট দায়ক,তিনি বলেন হাসপাতালের প্রধানকে নজরধারী বাড়াতে হবে,তার যদি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতা থাকে তাহলে অনেক সাধারন রোগীরা উপকৃত হবে। এবিষয় নিয়ে শ্যামনগর হাসপাতালের স্বাথ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ জিয়াউর রহমান এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আরো দুইটি বিল্ডিং আছে, যেখানে সাধারন রোগী রাখা হয়,তিনি বলেন- ডাক্তার নার্সের কোন সমস্যা নেই,তবে প্রধান বিল্ডিংটি পরিতক্ত ঘোষনা করায় একটু সমস্যায় আছি। যে সব রোগী রেফার করার মত, সে সকল রোগী রেফার করা হয়ে থাকে।

0 Comments