সাতক্ষীরা রেঞ্জের পশ্চিম সুন্দরবনে অভয়ারণ্যে এলাকায় অসাধু জেলেদের মাছ ও কাঁকড়া আহরণ, জানেননা বনকর্মকর্তারা।
রাকিবুল হাসান শ্যামনগরঃসাতক্ষীরা রেজ্ঞের পশ্চিম সুন্দরবনে অভয়ারণে্য এলাকায় অসাধু জেলেদের মাছ ওকাকঁড়া আহরণ,জানেনা বনকর্মকতারা।প্রতি গন (১৫ দিনে) ২ থেকে ৩ হাজার টাকা দিতে হয় ফরেস্টরদের। এছাড়াও স্মার্ট টিমের সামনে পড়লে টাকা দিতে হয়। আবার বনবিভাগ নটাবেঁকীতে ইনচার্জের দ্বায়িত্বে আছেন আক্তার হোসেন, জেলেদের ুষ্প কাঠিতে কামাল পাসা, মান্দারবাড়িয়ায় খায়রুল আলম মিঠু, হুলদেবুনিয়ায় মাহবুব আলমের পোষা কিছু দালাল চক্র কতিপয় অসাধু জেলেদের চুক্তির মাধ্যমে সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে এলাকায় মাছ ও কাঁকড়া আহরনের সুযোগ করে দিচ্ছে ৷ অভয়ারণ্য এলাকায় বনজীবীদের অবাধ বিচরণের তথ্য পাওয়া গেছে।
অভিযোগ উঠেছে, বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট স্টেশনের কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে জেলে নামধারীরা অভায়রণ্য এলাকায় অবাধে বিচরণ করছেন। এতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সুন্দরবনের মাছের প্রজনন ক্ষেত্রগুলো।
পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) এ.কে.এম ইকবাল হোসাইন চৌধুরী বলেন, এ অভিযোগ ভিত্তিহীন। বনকর্মীরা কোনোভাবেই এর সঙ্গে জড়িত নন। এসব অভয়ারণ্য এলাকায় যাঁরা মাছ ধরেন, তাঁরা অবৈধভাবেই বনে প্রবেশ করেন।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন গহীন সুন্দরবনের দোবেকী, পুষ্পকাটি, নোটাবেকী, মান্দারবাড়ীয়া ও হলদেবুনিয়া বন টহল ফাঁড়ির অধীনে বেশ কিছু খাল রয়েছে, যা অভয়ারণ্য ঘোষিত। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও মাছের প্রজননের জন্য এসব খাল ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় মাছ ধরা, কাঠ কাটাসহ সব ধরনের বনজ দ্রব্য আহরণ নিষিদ্ধ।
তথ্য অনুসন্ধানে ও স্থানীয় জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানাগেছে যে, সুন্দরবনে আবু সালেহের ২২টি নৌকা, তন্ময় কোম্পানির ১৭টি, শরীফ ডাক্তারের ৫০টি, বুলবুলির ২২টি, নুরুজ্জামানের ১০টি, রহিমের ১০টি, ইসমাইল সানার ৪০টি, জামাল মোল্লার ৩০টি, শহীদুল্লাহ মোল্ল্যার ২৫০টি, শহীদের ৩৫টি, আবুল কোম্পানির ১৫টি, ওয়াজ কুরুনীর ৪টি, বাবুর ৫টি, শহীদের ৪টি, লুৎফর মোল্লার ১৫টিসহ বিভিন্ন জেলে কোম্পানির কয়েকশ'নৌকা অবৈধভাবে অভয়ারণ্য এলাকায় মাছ ধরছে।
এসব মাছ ট্রলার যোগে এনে কলবাড়ী, সোনার মোড়, নওয়াবেকী, নুরনগর কয়রাসহ বিভিন্ন মৎস্য আড়তে নিয়ে বিক্রি করে থাকে।
অভয়ারণ্যে মাছ না ধরার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাশ নিলেও তারা অভয়ারণ্যে প্রবেশ করছে। এ বিষয়ে হরেকৃষ্ণ নামের এক জেলে বলেন, অভয়ারণ্যে মাছ ধরতে কিছু বাড়তি টাকা খরচ হয়, কিন্ত অল্প সময় অনেক মাছ পাওয়া যায়।
জেলে মোশারফ গাজী বলেন, বন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করতে পারলে বেশি লাভবান হওয়া যায়।জেলে রাশিদুল বলেন, এই সব দালালদের মাধ্যমে আমরা অভয়ারণ্যে যাওয়ার যোগাযোগ করি ৷ এর জন্য খাতা রয়েছে ৷ খাতায় নাম থাকলেই আর কোন ফরেস্টার ধরে না ৷
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জেলে জানান, বন্ধ বাদায় ঢুকতে গেলে প্রতি গোনে নৌকা প্রতি (১৫ দিনে) ২ থেকে ৩ হাজার টাকা দিতে হয় ফরেস্টরদের। এছাড়া স্মার্ট টিমের সামনে পড়লে তাদেরকে পরিচয় দিয়ে প্রমানিত করা লাগে যে আমরা চুক্তিপ্রাপ্ত ৷
সুন্দরবনে টুরিস্টদের সাথে যাওয়া এলাকার কয়েকজনের সহযোগীতার মাধ্যমে ছবি সংগ্রহ ও তাদের মাধ্যমে জানাগেছে যে, সুন্দরবনে অভয়ারণ্যে এলাকা, দোবেকী, পুষ্পকাটি, নোটাবেকী, মান্দারবাড়ীয়া ও হলদেবুনিয়ায় জেলেদের নৌকা দেখাগেছে ৷
এ বিষয়ে বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা নুরুল আলম বলেন, নটাবেঁকীতে ইনচার্জের দ্বায়িত্বে আছেন আক্তার হোসেন, পুষ্প কাঠিতে কামাল পাসা, মান্দারবাড়িয়ায় খায়রুল আলম মিঠু, হুলদেবুনিয়ায়
মাহবুব আলম ৷ এনারা অভয়ারণ্যে ইনচার্জ আপনি এনাদের কাছে বলেন আমি জানি না ৷

0 Comments