প্রশাসনের কে বৃদ্ধাআংগুল দেখিয়ে কাকঁড়া প্রজেক্টে বিক্রি হচ্ছে ছোট কাকঁড়া ঃদেখার কেই নাই।
রাকিবুল হাসান শ্যামনগর ঃপশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেজ্ঞের কাকঁড়ার পাস পারমিট ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে বন বিভাগ। বন বিভাগের ঘোষনা থাকলেও লোকালয়ে বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশ্য ছোট কাঁকড়া বিক্রী হচ্ছে অবাধে। অজ্ঞাত কারনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বিষয়টি না দেখার ভান করে চলেছে।অভিযোগ রয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের যোগসাজশে সুন্দরবনের কাঁকড়া নিধনে নেমে পড়েছে প্রজেক্ট মালিকরা ও একদল অসাধু ব্যাবসায়ীরা। শ্যামনগর উপজেলার কলবাড়ি, হরিনগর, সুন্দরবন, মীরগাং, ভেটখালী, বুড়িগোয়ালিনী, গাবুরা, চাঁদনীমুখাসহ পার্শ্ববর্তী উপজেলার কয়রা, কাঠ কাটা, ঘড়িলাল, আংটিহারা, জোড়শিং ও পাইকগাছা থেকে সড়ক ও নৌপথে প্রতি রাতে ৩-৪ হাজার কেজি ধরা ও বিক্রয় অযোগ্য ছোট কাঁকড়া নিয়ে আসা হচ্ছে। বুড়িগোয়ালিনীতে অবস্থিত দুই শতাধিক সফট সেল ফার্মে।বেশি লাভের আশায় জোট বেঁধে ছোট কাঁকড়া সংগ্রহ করেছেন একদল অসাধু ব্যাবসায়ী।ব্যাবসায়ীরা অধিক হারে ছোট কাঁকড়া ম্যানেজ করে দিয়ে প্রজেক্ট মালিকদের মন জয় করে। আদায় করে নিচ্ছে পালসার মটর সাইকেল,ফ্রিজ, টিভি এমন কি আলিশান বাড়িও। অতিরিক্ত লাভের আশায় প্রজেক্ট মালিকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা অগ্রীম নিচ্ছে অসাধু ব্যাবসায়ীরা। তারা স্থানীয় জেলেদের কে দাদন দিয়ে সুন্দরবনে ছোট কাঁকড়া ধরতে পাঠায়।ধরে আনা কাঁকড়া অধিক দামে কেনার কারণে অতিরিক্ত লাভের আশায় ছোট কাঁকড়া আহরণ কারীরা একপ্রকার আসক্ত হয়ে পড়েছেন ছোট কাঁকড়া আহরণ।ছোট কাঁকড়া ক্রয় ও বিক্রয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে বারবার অবগত করানো হলেও কোনরকম পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বড় কাঁকড়া ব্যবসায়ী বলেন, ছোট কাকড়ার চাহিদা বেশি হওয়ায়। আমরা বড় কাঁকড়া ব্যবসায়ীরা মারাত্মক হুমকির মধ্যে আছি। সুন্দরবনে দেখা দিয়েছে বড় কাঁকড়ার অভাব। দিনে দিনে কমতে শুরু করেছে নদীর কাঁকড়া। সারাদিনে যে বড় কাঁকড়া হয় তা বিক্রি করে ঠিকমতো সংসার চালাতে পারছি না। অতিরিক্ত লাভের আশায় ছোট কাঁকড়া আহরণ কারীরা একপ্রকার আসক্ত হয়ে পড়েছেন।পরিবেশবিদ মোহন কুমার মন্ডল বলেন,সুন্দরবন থেকে অচিরেই ছোট কাঁকড়া ধরা বন্ধ না করলে সুন্দরবন কাঁকড়া প্রাণী শূন্য হয়ে পড়বে। হুমকির মুখে পড়বে সুন্দরবনের জীব বৈচিত্র। তাই সকল কে সুন্দরবন রক্ষায় এগিয়ে আসার আহবান জানাই।পশ্চিম সুন্দরবনের রেঞ্জ কর্মকর্তা জানান,ছোট কাঁকড়া ধরা বন্ধ করতে আমরা সব সময় তৎপর আছি। গত তিন মাস সুন্দরবনে কাকঁড়ার পাস পারমিশন বন্ধ ছিল।তবে১লা সেস্টেমবার পাস দেওয়া হয়েছে। সুন্দরবন সংশ্লিষ্ট সকল প্রকার অবৈধ কাজের সাথে যারা জড়িত আছে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।

0 Comments