Header Ads Widget

Responsive Advertisement

উত্তর কৈখালী বিজিবি রেনু আটকের নাটকীয়তায় । Update By Padma News 24


 উত্তর কৈখালী বিজিবি রেনু আটকের নাটকীয়তায় 

বেসামাল বিজিবি সদস্যরা 

রাকিবুল হাসান শ্যামনগরঃ

শ্যামনগরে উত্তর কৈখালী বিজিবির উপস্থিতিতে ভারতীয় অবৈধ রেনু পাঁচারের সময় নৌ-পুলিশের উপস্থিতিতে বেসামাল বিজিবি সদস্যরা জনরোষানালে ৷  জানাগেছে যে, সকাল ৬ টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে ভেটখালী রাঁয়নগর নৌ-পুলিশের ইনচার্জ তারক বিশ্বাস রমজাননগর ইউনিয়নের সোরা গ্রামে কালভার্টের কাছে পৌঁছলে দেখতে পাই বিজিবির গোয়েন্দা (এফএস) ইসমাইল চোরাকারবারি সহ তাদের মোটরসাইকেল, ৫ বস্থা গলদা রেনু নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ৷ নৌ-পুলিশের ইনচার্জ তারককে দেখে চলে যেতে বলেন ৷ তারক  চোরাকারবারি সহ তাদের মোটরসাইকেল এবং ৫ বস্থা গলদা রেনুর ছবি উঠালে তারকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেন ইসমাইল ৷ তারক পরিচয় দিলেও তাকে গালিগালাজ করতে থাকে ৷ অবশেষে বিজিবির অনান্য সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছলে তার ফোনটি দিয়ে দেয় ৷ এবং চোরাকারবারি ও মোটরসাইকেল ছেড়ে দিয়ে গলদা রেনু জব্দ করে নিয়ে যায় ৷ পরবর্তীতে "বিজিবি’র অভিযানে ২৫ পলি ভারতীয় গলদা রেনু আটক" শিরোনামে প্রেসবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন ৷ 

রাঁয়নগর নৌ-পুলিশের ইনচার্জ তারক বিশ্বাস বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি অনেক লোকের সমাগম ও ৫ বস্থা গলদা রেনু সহ বিজিবির গোয়েন্দা উপস্থিত ছিলেন ৷  আমাকে দেখে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বলেন ৷ আমি ডিউটিরত অবস্থায় তার কাছে আমার আইডি কার্ড ও সরকারি অস্ত্র দেখিয়ে পরিচয় দেওয়ার পরও আমাকে 

ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বলেন ৷ আমি তাকে বলেছি যদি আপনারা অভিযান পরিচালনা করে থাকেন তবে আপনারা নিয়ে যান ৷ আমি গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে এখানে অভিযান পরিচালনা করতে এসেছি ৷ তিনি আরও জানান, আমি ছবি তোলা মাত্রই আমার ফোনটি কেড়ে নেন ইসমাইল  ৷ এবং দীর্ঘক্ষন দাড়িয়ে রাখে৷  আমি বিষয়টি আমার উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি ৷ তারা বিষয়টি দেখছেন৷  

অন্যদিকে স্থানীয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তিরা জানান,  আমরা তো কাউকে চিনি না ৷ প্রায় সময় কেউ না কেউ দাড়িয়ে থেকে ভারতীয় অবৈধ রেনু পোনা সহ বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে যায় ৷ তবে নৌ-পুলিশের ইনচার্জের সাথে খুব খারাপ আচারন করেছেন৷  দুজনেই সরকারি চাকুরী করেন তবে এমন ধরেন ঘটনা ঘটবে কেন?  নিশ্চয় এখানে কোন সমস্য আছে ৷ 

গোয়েন্দা ইসমাইল মোবাইলে বলেন, আমি কোন কিছু বলতে পারবো না ৷ ঘটনা মিথ্যা ৷ কেউ যদি বাড়িয়ে বলে আমি কি করতে পারি ! 

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম ঘটনার বিষয় অবগত আছে বলে জানান ৷

Post a Comment

0 Comments